
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই বাসাবাড়িতে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল বা কেরোসিন মজুদ করছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রবণতা ভয়াবহ ঝুঁকির সৃষ্টি করছে—যা শুধু ব্যক্তিগত নয়, পুরো এলাকার জন্য মারাত্মক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন:
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘরে দাহ্য পদার্থ মজুদ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশেষ করে পেট্রোল ও অকটেন অত্যন্ত দ্রুত দাহ্য (Highly Flammable), যা সামান্য আগুন বা স্পার্কেই বিস্ফোরণের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই প্লাস্টিকের বোতল বা অনিরাপদ পাত্রে জ্বালানি সংরক্ষণ করছেন, যা তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা চাপের কারণে লিক হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া রান্নাঘর, বৈদ্যুতিক লাইন বা সিগারেটের আগুন থেকেও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।
ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান,
“ঘরে জ্বালানি তেল মজুদ করা মানে নিজের বাসাকে ঝুঁকিতে ফেলা, একই সঙ্গে প্রতিবেশীদের জীবনকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া। এটি অনেকটা নিজের ঘরে ‘টাইম বোমা’ রেখে দেওয়ার মতো।”
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, বাংলাদেশে নগর এলাকার অধিকাংশ বাসা ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় একটি বাসার আগুন দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে একটি ছোট অসতর্কতা থেকেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন:
⚠️ কী বলছে বিশেষজ্ঞরা:
ঘরে দাহ্য জ্বালানি তেল মজুদ না করার পরামর্শ
বাধ্য হলে নিরাপদ, সিল করা ধাতব কন্টেইনার ব্যবহার
রান্নাঘর বা বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে রাখা
শিশুদের নাগালের বাইরে সংরক্ষণ
দীর্ঘদিন মজুদ না রাখা
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করে বিপজ্জনকভাবে জ্বালানি সংরক্ষণ করলে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
🚨 সতর্কবার্তা
সামান্য অসাবধানতাই বড় বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। তাই নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনই সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।






