
বিশ্বজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে শক্তিশালী ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি। আবহাওয়াবিদদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে একটি শক্তিশালী এমনকি “সুপার এল নিনো” তৈরি হতে পারে, যা গত ১৪০ বছরের মধ্যে অন্যতম তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। ইতোমধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শক্তিশালী ঝড় এবং বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তন এল নিনোর পূর্বাভাসকে জোরালো করছে।
জলবায়ু বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এই এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে কৃষি, পানি সম্পদ এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া এল নিনো সাধারণত মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ধরণ পরিবর্তন করে, ফলে কোথাও অতিবৃষ্টি, আবার কোথাও দীর্ঘস্থায়ী খরা দেখা দেয়। দক্ষিণ এশিয়ায় দুর্বল মৌসুমি বৃষ্টি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, বসন্তকালের পূর্বাভাস সবসময় শতভাগ নির্ভুল হয় না। তাই পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে আগামী কয়েক মাসে।
আরও পড়ুন:
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইতোমধ্যে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।








