
সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।
আরও পড়ুন:
সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা। বিশেষ করে খরা ও অনাবৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও ভরাট হয়ে যাওয়া খালগুলো পুনঃখনন করা হবে। একইসঙ্গে নতুন খাল খননের মাধ্যমে নদ-নদীর সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণ করা যাবে।
আরও পড়ুন:
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, খাল পুনঃখনন ও খননের ফলে কৃষকরা সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে পানির স্তর রক্ষায় সহায়ক হবে। একইসঙ্গে মাছ চাষ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এদিকে পরিবেশবিদরা বলছেন, খালগুলো পুনরুদ্ধার হলে প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ বাড়বে এবং জলাবদ্ধতা কমে শহর ও গ্রামাঞ্চলের পরিবেশ উন্নত হবে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন:
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করবে এবং ধাপে ধাপে খাল খননের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।






