
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া-বলরামপুর খাল (১২ কিলোমিটার) খননের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘খাল খনন কর্মসূচি–২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। সকাল ১১:৩০টায় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ কর্মসূচির সূচনা করেন। এর মাধ্যমে ৫৪ জেলায় একযোগে খাল পুনঃখনন ও সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নের জাতীয় কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
আরো পড়ুন :
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সকাল ১০:১৫টায় পৌঁছে সড়কপথে সাহাপাড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তিনি স্থানীয় জনসভায় ভাষণ দেন। পরে দিনাজপুরের ফরিদপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদি ও অন্যান্য আত্মীয়ের কবরে ফাতেহা পাঠ করেন এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইফতার করেন।
এ কর্মসূচি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে খনন করা অনেক খাল বালু ভরাট হয়ে যাওয়ায় এগুলো পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে ৫৪ জেলায় একযোগে কাজ শুরু হচ্ছে। পাঁচ বছরে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে; প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খনন করা হবে।
আরো পড়ুন:
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “এটি শুধু খাল খনন নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। যন্ত্রের পরিবর্তে স্থানীয় মানুষকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ সুবিধা, মাছ-হাঁস চাষ ও কৃষি উৎপাদন বাড়বে।” সাহাপাড়া খালটি একা ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে উপকৃত করবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। খালের দুই পাড়ে বাঁধ নির্মাণ, গাছ লাগানো এবং বৈজ্ঞানিক পানি ব্যবস্থাপনা করা হবে।
আরো পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২৫ জন দুস্থ পরিবারের মধ্যে পাঁচজনকে কালো বাংলা ছাগল বিতরণ করেন। অন্যান্য জেলায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যরা একযোগে কর্মসূচি উদ্বোধন করছেন।
এ কর্মসূচি গ্রামীণ পানি ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) সমন্বয় করে কাজ চলবে।






