
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত রাজনৈতিক দলগুলোর তালিকা বহাল রেখে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল অধ্যাদেশ’কে আইনে রূপ দিয়েছে জাতীয় সংসদ।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বৈঠকে বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
নতুন আইনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং নেজামে ইসলাম পার্টির নাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিলটি পাসের আগে বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনা হয় এবং এতে আপত্তি জানান বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেন, এই তালিকা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
তবে বিলটির বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান নেয় জামায়াতের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি এ বিষয়ে কোনো আপত্তি না জানিয়ে স্পিকারকে লিখিতভাবে তাদের সমর্থনের কথা জানায়।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আইন পাসের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিতর্কিত রাজনৈতিক অবস্থানগুলোর একটি সরকারি স্বীকৃতি পুনরায় নিশ্চিত করা হলো। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে।
উল্লেখ্য, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংক্রান্ত এই আইন মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি, তালিকা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।






