
দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম ও মহেশখালী উপকূলে মোট পাঁচটি এলএনজি (Liquefied Natural Gas) ও এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) বহনকারী জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশে আসছে। এর মধ্যে আজ ও আগামীকাল অন্তত দুটি এলএনজি কার্গো খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গ্যাসের ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে শিল্পখাত ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলএনজি আমদানি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে এলপিজির সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে, যাতে গৃহস্থালি খাতে জ্বালানির ঘাটতি না দেখা দেয়।
আরও পড়ুন:
সরকারি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে এসব জ্বালানি দ্রুত খালাস করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে। এতে করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তবে জ্বালানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, আমদানি নির্ভরতা বাড়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।






