
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলোচিত গণভোট সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ার পথে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা এই অধ্যাদেশটি আর সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিশেষ কমিটি।
আরও পড়ুন:
জানা গেছে, বিভিন্ন অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে অধিকাংশ সংসদে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হলেও গণভোট অধ্যাদেশকে আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য ইতোমধ্যেই পূরণ হয়েছে, ফলে এটি আইন হিসেবে পাস করার প্রয়োজন নেই।
আরও পড়ুন:
বিশেষ কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। তবে গণভোট অধ্যাদেশটি বিল আকারে আনা হবে না। এতে করে নির্দিষ্ট সময় শেষে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিরোধী দলগুলোর একটি অংশ মনে করছে, গণভোট বাতিল হলে জাতীয় সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাদের মতে, গণভোট ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া একে অপরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত আইনগত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
আরও পড়ুন:
তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—গণভোটের উদ্দেশ্য পূরণ হওয়ায় এটি আর ভবিষ্যতে প্রযোজ্য নয়। ফলে এটিকে আইন হিসেবে কার্যকর রাখার প্রয়োজন নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণভোট বাতিলের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনের বৈধতা, সংস্কার প্রক্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হতে পারে।






