
দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও কৃষি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশের অনেক খাল দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে খাল পুনরুদ্ধার ও নতুন খাল খননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাল খননের মাধ্যমে একদিকে যেমন বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ সম্ভব হবে, অন্যদিকে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে পানির স্তর স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে।
আরও পড়ুন:
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খালগুলোর মানচিত্র তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, পর্যাপ্ত সেচ সুবিধা নিশ্চিত হলে ফসল উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
আরও পড়ুন:
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, সঠিক পরিকল্পনা এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। না হলে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।






