
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর সর্বশেষ নির্বাচনকে ঘিরে বড় ধরনের অনিয়ম ও জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে সরকারি তদন্ত কমিটি। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল।
আরও পড়ুন:
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদনে ভোট কারচুপি, প্রভাব বিস্তার এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতির একাধিক প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন বোর্ড কর্মকর্তাদের সরাসরি ও পরোক্ষ প্রভাবের কারণে নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি।
আরও পড়ুন:
তদন্ত কমিটি আরও জানায়, কিছু ক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি, অননুমোদিত হস্তক্ষেপ এবং নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। এসব অনিয়মের ফলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ পরিস্থিতিতে সরকার বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন তারা।








