
মানবজাতির মহাকাশ অভিযানে নতুন ইতিহাস গড়েছে Artemis II মিশন। প্রায় ৫০ বছর পর আবার মানুষকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠিয়ে সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA। ১০ দিনের এই ঐতিহাসিক মিশন ভবিষ্যৎ চাঁদে অবতরণের পথ সুগম করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:
🌍 কারা ছিল এই মিশনের পেছনে?
এই মিশনটি শুধু একটি দেশের নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগ।
- NASA (যুক্তরাষ্ট্র) – পুরো মিশনের নেতৃত্ব ও বাস্তবায়ন
- Canadian Space Agency (CSA) – একজন নভোচারী অংশগ্রহণ
- European Space Agency (ESA) – Orion-এর সার্ভিস মডিউল
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান:
- Boeing → SLS রকেট
- Lockheed Martin → Orion মহাকাশযান
- Northrop Grumman → রকেট সিস্টেমে সহায়তা
এই বহুজাতিক অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
আরও পড়ুন:
💰 কত খরচ হলো Artemis II মিশনে?
Artemis II মিশনের জন্য আলাদা নির্দিষ্ট বাজেট প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী—
- প্রতিটি Artemis মিশনের আনুমানিক খরচ: ৪ বিলিয়ন ডলার বা তার বেশি
- পুরো Artemis প্রোগ্রামের মোট ব্যয় (২০২৫ পর্যন্ত): প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ডলার
🇧🇩 বাংলাদেশি টাকায় হিসাব
বর্তমান গড় ডলার রেট ≈ ১২০ টাকা হিসেবে—
- একেকটি মিশনের খরচ ≈ ৪ বিলিয়ন × ১২০ = ৪৮০ বিলিয়ন টাকা
👉 অর্থাৎ প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা - মোট প্রোগ্রাম ব্যয় ≈
👉 ১১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি
🌕 কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মিশন?
- ১৯৭২ সালের Apollo যুগের পর প্রথম মানব চাঁদ অভিযানের পুনরাগমন
- ভবিষ্যতের Artemis III-এর মাধ্যমে চাঁদে মানুষ অবতরণের প্রস্তুতি
- গভীর মহাকাশে জীবনধারণ, নেভিগেশন ও প্রযুক্তি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
📊 সংক্ষেপে
- 🚀 ১০ দিনের মানববাহী চাঁদ প্রদক্ষিণ মিশন
- 🌍 আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে পরিচালিত
- 💰 একেকটি মিশনে ব্যয় ≈ ৪৮ হাজার কোটি টাকা
- 🌕 লক্ষ্য: চাঁদে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করা








