
ইরানের সাম্প্রতিক হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোপনীয়তা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে দেশটি। হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা প্রজেক্টাইলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্য নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে ইরানে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস। এই সতর্কতা অমান্য করলে জরিমানা, কারাদণ্ড এবং এমনকি নির্বাসনের (ডিপোর্টেশন) মতো কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারেন প্রবাসীরা।
কেন এই সতর্কতা?
আরও পড়ুন:
সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি ভবন, কূটনৈতিক মিশন বা হামলার শিকার হওয়া কোনো স্থানের ছবি তোলা এবং তা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা দেশটির সাইবার অপরাধ আইনের লঙ্ঘন। আমিরাত সরকার মনে করে, এ ধরণের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং তা গুজব ছড়াতে সাহায্য করে।
ব্রিটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি দুবাইতে ৬০ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে সাইবার-অপরাধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। জানা গেছে, তিনি শহরের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি তুলে শেয়ার করেছিলেন। এই ঘটনাটি বিদেশি পর্যটক এবং প্রবাসীদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আইন লঙ্ঘনের পরিণতি
আমিরাতের আইন অনুযায়ী, সাইবার অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে:
আরও পড়ুন:
- মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানা গুনতে হতে পারে।
- দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
- বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে সাজা শেষে সরাসরি নিজ দেশে নির্বাসন দেওয়া হতে পারে।
ব্রিটিশ দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত সকল বিদেশি নাগরিক দেশটির স্থানীয় আইনের অধীন। তাই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।








