
চলতি বছরের শেষ নাগাদ বহুল প্রতীক্ষিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে পরিকল্পনা কমিশনে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।
পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের অগ্রগতি এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন উভয় পক্ষ।
বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানান, রূপপুর প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, “আমরা আশাবাদী যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথম ইউনিটের ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এটি আমাদের দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং শিল্পায়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।”
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে রূপপুর প্রকল্পটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি মাইলফলক। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পটি চালু হলে লোডশেডিং হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।







