
বাংলাদেশের সংবিধান, বিশেষ করে ১৯৭২ সালের সংবিধানকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অতীত ও সাম্প্রতিক সময়ে দুই রাজনীতিকের ভিন্নধর্মী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ২০১৬ সালে এক বক্তব্যে বলেন—“জনগণ সুযোগ পেলে বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দিবে।” এই মন্তব্যটি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হয়ে আসছে, বিশেষ করে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান ব্যাখ্যায় এটি উদ্ধৃত হয়।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ সংবিধান প্রসঙ্গে কড়া মন্তব্য করেন। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বলেন—যারা ১৯৭২ সালের সংবিধান বাতিল বা অস্বীকার করতে চায়, তাদেরকে ‘রাজাকার’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত—এমন মত প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:
যদিও সংসদে তার একাধিক বক্তব্যের মধ্যে মূলত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের প্রতি সম্মান বজায় রাখার আহ্বানই ছিল প্রধান বিষয় , তবে সংবিধান নিয়ে তার অবস্থান রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দেয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭২ সালের সংবিধান বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভিত্তি ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতীক। তাই এ সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন নিয়ে ভিন্ন মত থাকলেও, তা প্রায়ই আবেগপ্রবণ ও আদর্শগত বিতর্কে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জনগণ বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাবের ওপর মতামত দেয় । ফলে সংবিধান নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পায়।
বর্তমানে দুই ভিন্ন সময়ের এই দুই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে তুলনা করে দেখানো হচ্ছে, যা রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মতাদর্শগত বিভাজনকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।






