
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়লেও, এ বিষয়ে মূলধারার মিডিয়া ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে নাগরিক সমাজের একাংশ “নীরবতা ও হিপোক্রেসি”র প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।
আরো পড়ুন:
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুদের ওপর নৃশংস নির্যাতন ও হত্যার মতো ঘটনায় পর্যাপ্ত গুরুত্ব না দেওয়া এবং ধারাবাহিক প্রতিবাদ না হওয়ায় তারা এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তাদের দাবি, এসব ঘটনার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, পাশাপাশি মিডিয়া ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আরো পড়ুন:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আহ্বানে বলা হয়েছে, “শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একত্র হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে এমন ঘটনা বাড়তেই থাকবে।” এতে অংশগ্রহণের জন্য সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #ShameOnMedia এবং #ShameOnSocialOrganizations হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে অভিযোগ করছেন, নির্দিষ্ট কিছু ইস্যুতে সরব হলেও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।
আরো পড়ুন:
বিশ্লেষকরা বলছেন, শিশু সুরক্ষায় কেবল আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ। তারা মনে করেন, এমন আন্দোলন সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।






