
বিশেষ প্রতিবেদন | ঢাকা | ৫ মার্চ ২০২৬
সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে এবং দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসে উপস্থিতির বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এখন থেকে সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে অবস্থান করা বাধ্যতামূলক।
নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সচিবালয় পর্যন্ত সকলকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। বিশেষ করে সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সময়কালকে ‘অফিসে অবস্থানের বাধ্যতামূলক সময়’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক অন্য কোনো বাহানায় অফিসের বাইরে থাকতে পারবেন না।
কেন এই কড়াকড়ি?
সরকারের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি সহজতর করা। অনেক সময় দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সরকারি অফিসে এসে কর্মকর্তাদের পান না। এই সংকট নিরসনেই সকালের এই নির্দিষ্ট সময়টি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
- সেবাগ্রহীতাদের সুবিধা: মানুষ যাতে সকালে এসেই কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করতে পারে।
- কাজে গতিশীলতা: দিনের শুরুতেই কাজের পরিকল্পনা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা।
- জবাবদিহিতা: সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।
অনুমতি ব্যতীত অনুপস্থিতিতে শাস্তির হুঁশিয়ারি
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জরুরি দাপ্তরিক কাজ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া যদি কোনো কর্মকর্তা এই সময়ের মধ্যে ডেস্কে না থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
“জনগণের সেবক হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে থাকা কেবল দায়িত্ব নয়, এটি আইনি বাধ্যবাধকতাও বটে।” — সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।








