
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আবেগ ও রায়কে যদি অবজ্ঞা করা হয় বা ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়, তবে তা হবে সরাসরি দেশবাসীকে অপমানের শামিল। তিনি স্পষ্ট করেন যে, একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে জনগণের মতামতের চেয়ে বড় আর কিছু হতে পারে না।
এই প্রতিবেদনের ভিডিও:
আরও পড়ুন:
জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় সভা বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায় বা আকুতিকে যদি তুচ্ছজ্ঞান করা হয়, তবে তা এই জাতির জন্য শুভ হবে না। যারা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে, তাদের সেই ইচ্ছাকে মূল্যায়ন করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার এবং কথা বলার স্বাধীনতা হারিয়েছিল। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে সেই পথ আবার প্রশস্ত হয়েছে। এখন যদি সেই গণআকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে সেটি জনরায়ের বিরুদ্ধে যাবে।
আরও পড়ুন:
দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারকে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে মৌলিক সংস্কারগুলো শেষ করে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে হবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েই রাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন:
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ধারণ করার এবং একটি ইনসাফ কায়েমের রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।






