
প্রযুক্তি ডেস্ক: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) দুনিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে Meta-এর সাশ্রয়ী হেডসেট Meta Quest 3S। যারা কম বাজেটে মেটাভার্স, গেমিং বা মিক্সড রিয়েলিটির অভিজ্ঞতা নিতে চান, তাদের জন্য এটি বর্তমানে অন্যতম সেরা অপশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসা এই ডিভাইসটি মূলত পূর্ববর্তী Quest 2-এর আপগ্রেডেড সংস্করণ, যেখানে উন্নত পারফরম্যান্স ও আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
🔍 প্রধান ফিচার ও স্পেসিফিকেশন
Meta Quest 3S-এ রয়েছে শক্তিশালী Snapdragon XR2 Gen 2 চিপসেট, যা দ্রুত ও স্মুথ VR অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
- ডিসপ্লে: 1832×1920 (প্রতি চোখে), 120Hz রিফ্রেশ রেট
- RAM: 8GB
- স্টোরেজ: 128GB / 256GB
- ক্যামেরা: ফুল-কালার পাসথ্রু (Mixed Reality)
- কানেক্টিভিটি: Wi-Fi 6E, Bluetooth 5.2
- ওজন: প্রায় 514 গ্রাম
এই হেডসেটের অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো ফুল-কালার পাসথ্রু, যা বাস্তব পরিবেশের সাথে ভার্চুয়াল অবজেক্ট মিশিয়ে দেয়—একটি উন্নত Mixed Reality অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
আরও পড়ুন:
🎮 কার জন্য উপযোগী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা প্রথমবার VR ব্যবহার করতে চান বা কম দামে গেমিং, ফিটনেস ও মেটাভার্স এক্সপ্লোর করতে চান—তাদের জন্য Quest 3S একটি “value-for-money” ডিভাইস।
এটি Quest 3-এর মতো একই চিপসেট ব্যবহার করলেও কিছু ক্ষেত্রে (যেমন লেন্স ও ডিসপ্লে কোয়ালিটি) সামান্য কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে, যাতে দাম কম রাখা যায়।
আরও পড়ুন:
💰 বাংলাদেশে দাম (BD Price)
বর্তমানে বাংলাদেশে Meta Quest 3S-এর দাম ভিন্ন ভিন্ন স্টোরে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে:
- 128GB: প্রায় ৳46,990 – ৳51,899
- 256GB: প্রায় ৳58,500+
🛒 বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে কোথায়?
বাংলাদেশে এটি ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অনলাইন ও অফলাইন গ্যাজেট শপে পাওয়া যাচ্ছে, যেমন:
- Star Tech
- Computer Vision BD
- ShopZ BD
স্টক সাধারণত সীমিত থাকে, তাই আগ্রহীদের দ্রুত কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিক্রেতারা।
আরও পড়ুন:
📊 বাজার বিশ্লেষণ
বিশ্বব্যাপী VR মার্কেটে Meta Quest 3S একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। কম দামে উন্নত পারফরম্যান্স দেওয়ায় এটি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য “entry-level VR king” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।








