
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি: ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও লেবাননে হামলা-পাল্টা হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশের দুটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বুশেহর পারমাণবিক স্থাপনায় আরেকটি হামলায় অন্তত একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, ইরানের পাল্টা হামলার মূল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির দাবি, আজ তারা ২৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৬টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।
লেবাননেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি স্থল অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে টাইর শহরের একটি হাসপাতালের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যে তারা দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি কোহগিলুয়েহ ও বয়্যার-আহমাদ প্রদেশে ভূপাতিত হয় এবং অন্যটি উপসাগরীয় অঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়। দুটি মার্কিন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরও অন্তত একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে পুরো অঞ্চলে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বেড়েই চলেছে।
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর থেকে সরাসরি মন্তব্য না পাওয়া গেলেও, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে তারা তাদের ‘প্রতিরক্ষামূলক লক্ষ্য’ অর্জনে বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে, ইরান এই হামলার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পারমাণবিক স্থাপনায় যেকোনো হামলা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
আরও পড়ুন:
বাজারের ওপর প্রভাব
এই হামলার খবরের পরপরই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। খুজেস্তানের পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটময় পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে থামে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। বিশ্বনেতারা সংঘাত কমানোর আহ্বান জানালেও মাঠের পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে।








