
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হাইফা শহরের একটি তেল শোধনাগার এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগুন ও ধোঁয়ার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
আরো পড়ুন:
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, হামলায় কিছু সীমিত ক্ষতি হলেও, “পুরো রিফাইনারি ধ্বংস” বা “ভয়াবহ বিপর্যয়” ঘটেছে—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরো পড়ুন:
এই শোধনাগারটি Bazan Group-এর অধীন পরিচালিত এবং এটি ইসরায়েল-এর জ্বালানি অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পূর্বের তথ্য অনুযায়ী, এখানকার উৎপাদন ক্ষমতা প্রতিদিন প্রায় ১৯৭,০০০ ব্যারেল পর্যন্ত হতে পারে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতের বদলে কিছু ক্ষেত্রে ধ্বংসাবশেষ বা টুকরো (shrapnel) পড়ে আগুন লাগতে পারে।
আরো পড়ুন:
এদিকে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। একইভাবে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার করেছে।








