
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সাম্প্রতিক একাধিক ঘটনায় দেখা গেছে, ইরান থেকে ছোড়া কিছু ব্যালিস্টিক মিসাইল ইসরাইলের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, অন্তত কয়েকটি ক্ষেত্রে ইসরাইলি ইন্টারসেপ্টর মিসাইল লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিশেষ করে দক্ষিণ ইসরাইলের ডিমোনা ও আরাদ শহরে হামলার সময় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একাধিক ইন্টারসেপ্টর ছোড়া হলেও অন্তত দুটি মিসাইল সরাসরি আঘাত হানে। এতে বহু মানুষ আহত হয় এবং স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের বহুস্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—যার মধ্যে আয়রন ডোম, ডেভিড’স স্লিং এবং অ্যারো সিস্টেম রয়েছে—সাধারণত উচ্চ সফলতার হার বজায় রাখলেও বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শতভাগ সফলতা সম্ভব নয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ত্রুটি, কৌশলগত সীমাবদ্ধতা বা একাধিক মিসাইল একসাথে ছোড়া হলে প্রতিরক্ষা ভেদ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া, সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ইসরাইল কখনও কখনও উন্নত ও ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর সংরক্ষণ করতে কম সক্ষম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ব্যবহার করছে, যা ব্যর্থতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এই ধরনের ঘটনা ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতে এমন ফাঁকফোকর আরও বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে।








