
ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশ আবারও ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় শহরের একাধিক তেল সংরক্ষণাগার, শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। ফলে মাইলের পর মাইল ধোঁয়ার কুয়াশা ছড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু এলাকায় বিষাক্ত কালো বৃষ্টি (toxic black rain) দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
অনেক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, “রাতারাতি আকাশ যেন আগুনের লেলিহানে পরিণত হয়েছে। ধোঁয়ায় শ্বাস নেওয়া দায় হয়ে পড়েছে।” এই হামলা Operation Epic Fury নামে পরিচিত যুদ্ধের অংশ, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়ি সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিহত হন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিকতম হামলায় (২৭-২৮ মার্চ) তেহরান ও ইসফাহানের তেল ডিপো, আমিরকাবির বিশ্ববিদ্যালয়সহ কৌশলগত স্থানগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা “ব্যাপক স্কেলের স্ট্রাইক” চালিয়েছে। ফলে শহরের পূর্বাঞ্চলে অভূতপূর্ব বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আকাশ কালো ধোঁয়ায় ভরে গেছে।
আরও পড়ুন:
যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও ক্ষয়ক্ষতি:
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ইরানে হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তেল সংরক্ষণাগারে আগুন লেগে রাস্তায় “আগুনের নদী” বয়ে গেছে এবং বিষাক্ত ধোঁয়ায় আশপাশের এলাকায় পরিবেশ দূষিত হয়েছে। ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ লক্ষ্য করেছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় বেসামরিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে, তারা শুধু সামরিক ও নিউক্লিয়ার স্থাপনা লক্ষ্য করেছে। বর্তমানে যুদ্ধ চলমান এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ।
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়ছে। অনেক দেশ শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ছে।
আমাদের নিউজ পোর্টাল সর্বশেষ তথ্যের জন্য আপডেট রাখছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল—আরও খবরের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন। শান্তি ও মানবতার জয় হোক।
আরও পড়ুন:
(সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন, টাইমস অব ইসরায়েল, উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মিডিয়া রিপোর্ট, ২৯-৩০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত)








