
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে আয়োজিত জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর বিশাল সমাবেশ আজ এক জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সাংবিধানিক সংস্কারের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে যোগ দিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জড়ো হন।
আরও পড়ুন:
সমাবেশের মূল দাবিগুলো:
সমাবেশ থেকে জোটের নেতারা প্রধানত কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন:
- সাংবিধানিক সংস্কার: বিদ্যমান সংবিধানের অগণতান্ত্রিক ধারাগুলো বাতিল করে একটি জনবান্ধব ও বৈষম্যহীন সংবিধান প্রণয়ন।
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে ‘জুলাই সনদ’-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।
- বিচারের দাবি: বিগত শাসনামলে সংঘটিত সকল বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।
- নির্বাচনী রোডম্যাপ: রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ঘোষণা।
আরও পড়ুন:
নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা
সমাবেশস্থল ছাড়িয়ে আশেপাশের রাস্তাগুলোতেও মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। নেতাকর্মীদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা এবং বিভিন্ন দাবিসম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন। বড় আকারের এই জমায়েত সত্ত্বেও সংগঠনের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়।
বক্তাদের অভিমত
সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, “জুলাইয়ের বিপ্লব কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য ছিল না, বরং এটি ছিল একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তনের লড়াই। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি রুখতে সাংবিধানিক সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।”
আরও পড়ুন:
ঢাকার এই বিশাল সমাবেশ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াত জোটের শক্তির মহড়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের বড় একটি অংশ এই সংস্কারের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সমাবেশে অংশগ্রহণ করায় রাজপথের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো।






