
বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়াকে কেন্দ্র করে এই উদ্যোগে বেশ কয়েকটি দেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পারমাণবিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরাসরি সংঘাত এড়াতে বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রভাবশালী দেশ এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাদের উদ্যোগে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা চলছে, যা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, চলমান এই সংলাপ সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলাফলের ওপর।








