
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানে ব্যাপক বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেছে Iranian Red Crescent Society। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে এক লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংস্থাটির প্রধান Pirhossein Kolivand রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে জানান, সর্বশেষ হিসাবে ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক স্থাপনা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
🏠 আবাসন ও জীবিকার ওপর বড় আঘাত
ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে প্রায় এক লাখ আবাসিক ভবন রয়েছে, যার অনেকগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া প্রায় ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহে প্রভাব ফেলছে।
এর আগে মার্চের শেষ দিকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৯০ হাজারের বেশি বাড়ি ও ২১ হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল—যা সংঘাতের তীব্রতা ক্রমাগত বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
আরও পড়ুন:
🏥 স্বাস্থ্যখাতে সংকট
সংঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্বাস্থ্যখাতও। হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ শতাধিক চিকিৎসা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এর ফলে জরুরি চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
🎓 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও রক্ষা পায়নি
শিক্ষা খাতেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। শত শত স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় হামলার শিকার হয়েছে। পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, অন্তত শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
🚑 মানবিক সংস্থাও টার্গেট
রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব শাখা, ঘাঁটি ও গুদামসহ একাধিক কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলিভান্দ। এতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
⚠️ মানবিক উদ্বেগ বাড়ছে
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতে বেসামরিক অবকাঠামো—বিশেষ করে আবাসন, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠছে।
সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে দেশটির অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও শিক্ষা খাতের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।








